পোস্টগুলি

এসএসি ২০২১ (পদার্থ) এসাইনমেন্ট সমাধান

ছবি
প্রশ্ন ১। সমাধান || ১.(ক)এখানে, কাগজের মান ১৬০ গ্রাম/মিটার২ গ্রাম(g), ভরের মাত্রা = M মিটার(m), দৈর্ঘ্যের মাত্রা =L সুতরাং, মাত্রা = M/L2 =ML-2 ১.(খ)দেওয়া আছে, কাগজের মান গ্রাম এককে = 160 gm/m2 1 kg = 1000 gm সুতরাং, 1 gm =1/1000  kg সুতরাং, কিলোগ্রাম এককে হবে = 160 gm/m2 = 160 x (1/1000)  kg/m2 =160 x 10-3 kg/m2 = 0.16 kg/m2 ১.(গ)দেওয়া আছে প্রতি খাতার সাইজ = ৬৫ সে.মি. x ৭৫ সে.মি. সুতরাং, প্রতি খাতার ক্ষেত্রফল = (৬৫ x ৭৫) বর্গ সেন্টিমিটার = ৪৮৭৫ বর্গ সে.মি. =(৪৮৭৫/১০০০০) বর্গ মি.                        [১ বর্গ মি. = ১০০০০ বর্গ সে.মি.] = ০.৪৮৭৫ মি.২ এখানে, কাগজের মান = ১৬০ গ্রাম/মি.২ অর্থাৎ, ১ বর্গমিটার কাগজের ভর ১৬০ গ্রাম সুতরাং, ০.৪৮৭৫ বর্গমিটার কাগজের ভর = (১৬০ x ০.৪৮৭৫) গ্রাম =৭৮ গ্রাম একটি কাগজের ভর ৭৮ গ্রাম। যেহেতু নিক্তিটি ২০ গ্রাম ভরের গুণিতক হিসেবে পরিমাপ করে,  তাই ২০ এর গুণিতক আকারে ভর হিসাবের জন্য (৭৮ x ১০) গ্রাম বা ৭৮০ গ্রাম অর্থাৎ ১০ টি কাগজ কিনতে হবে।  কারণ ৭৮০ গ্রাম; যা ২০ এর গুণি...

নবম দশম শ্রেনীর পদার্থ বিজ্ঞান ||তৃতীয় অধ্যায়||বল||-জাকির রুবেল

ছবি
পদার্থ বিজ্ঞান বল অধ্যায় – নবম দশম শ্রেণি । পদার্থ বিজ্ঞান বল অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর : ১। বল কি? বা বল কাকে বলে? উত্তরঃ বল হলো একটি বাহ্যিক কারণ, যা বস্তুর উপর প্রযুক্ত হয়ে এর গতির অবস্থার পরিবর্তন করে, বা করতে চায়। ২। স্পর্শ বল কি? বা স্পর্শ বল কাকে বলে? উত্তরঃ যে বল সৃষ্টির জন্য দুটি বস্তুর প্রত্যক্ষ স্পর্শ প্রয়োজন হয়, তাকে স্পর্শ বল বলে। ৩। অস্পর্শ বল কি? বা অস্পর্শ বল কাকে বলে? উত্তরঃ দুটি বস্তুর প্রত্যক্ষ স্পর্শ ছাড়াই যে বল ক্রিয়া করে, তাকে অস্পর্শ বল বলে। ৪। সাম্য বল কি? বা সাম্য বল কাকে বলে? উত্তরঃ একাধিক বল যদি একই বিন্দুতে ক্রিয়াশিল থাকে এবং তাদের লব্ধি যদি শূন্য হয়, তবে তাকে সাম্য বল বলে। ৫। অসাম্য বল কি? বা অসাম্য বল কাকে বলে? উত্তরঃ একাধিক বল যদি একই বিন্দুতে ক্রিয়াশিল থাকে এবং তাদের লব্ধি যদি শূন্য না হয়, তবে তাকে সাম্য বল বলে। ৬। ভরবেগ কি? বা ভরবেগ কাকে বলে? উত্তরঃ বস্তুর ভর ও বেগের গুণফলকে ভরবেগ বলে। ৭। নিউটনের গতি বিষয়ক সুত্র কয়টি? উত্তরঃ নিউটনের গতি বিষয়ক সুত্র তিনটি। ৮। নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সুত্র লিখ। উত্তরঃ বাহ্যিক বল প্রযুক্ত না হলে স্থির ব...

নবম পদার্থ বিজ্ঞান || কাজ ক্ষমতা ও শক্তি || জাকির রুবেল।

ছবি
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর   প্রশ্ন-১. কাজ কাকে বলে? উত্তরঃ কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগের ফলে যদি বস্তুটির সরণ হয় তাহলে, প্রযুক্ত বল এবং বলের দিকে বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্বের গুণফলকে কাজ বলে।   প্রশ্ন-২. এক জুল কাকে বলে? উত্তরঃ কোনো বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগের ফলে যদি বস্তুটির বলের দিকে এক মিটার সরণ হয় তবে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে এক জুল বলে।   প্রশ্ন-৩. বিভব শক্তি কাকে বলে? উত্তরঃ স্বাভাবিক অবস্থা পরিবর্তন করে কোনো বস্তুকে অন্য কোনো অবস্থায় আনলে বস্তু কাজ করার যে সামর্থ্য অর্জন করে তাকে বিভব শক্তি বলে।   প্রশ্ন-৪. নিউক্লিয় ফিশন কী? উত্তরঃ যে নিউক্লীয় বিক্রিয়ায় প্রাপ্ত শক্তিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হয় সেই বিক্রিয়াকে বলা হয় নিউক্লিয় ফিশন।   প্রশ্ন-৫. শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতিটি লিখ। উত্তরঃ শক্তির সৃষ্টি বা বিনাশ নেই, শক্তি কেবল একরূপ থেকে অপর এক বা একাধিক রূপে পরিবর্তিত হতে পারে। মহাবিশ্বের মোট শক্তির পরিমাণ নির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয়।   প্রশ্ন-৬. এক ওয়াট কাকে বলে? উত্তরঃ এক সেকেন্ডে এক জুল কাজ করা বা শক্তি রূপান্ত...

রসায়নের কিছু মজার কৌশল

ছবি
৩য়: মৌলসমূহের পর্যায়ভিত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন_____________________________________ ®হাইড্রোজেন বন্ধন : ছন্দ- "হাইড্রোজেন FON কলের মাধ্যমে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করে" অর্থ্যাত্ হাইড্রোজেন এর পাশে যদি... "F" - ফ্লোরিন "O" - অক্সিজেন "N" - নাইট্রোজেন "কল" - ক্লোরিন থাকে তবে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন হবে । আবার এ থেকে বলতে পারি এই শর্তের কারনে অ্যমিন, অ্যলকোহল ইত্যাদি পানিতে দ্রবণীয় । কারণ অ্যামিনে আছে N (নাইট্রোজেন) এবং অ্যালকোহলে আছে O (অক্সিজেন) যা পানিতে অবস্থিত H (হাইড্রোজেন) এর সাথে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করে ফলে এরা পানিতে দ্রবণীয় হয় । ****************************************** ক্লোরিন (Cl) এর সব ব্যবহার মনে রাখ একটি মাত্র কথার দ্বারা- " জী আন্টি, আপনি হাতি + কাঁদুনে + বোরিং + কিপ্টা + পঁচা " জী = জীবাণু নাশক আন্টি = এন্টিনক তরল আপ নি = অগ্নি নির্বাপক হা তি = হিমায়ক তরল কাঁদুনে = কাঁদুনে গ্যাস বোরিং = বিরঞ্জক কিপ্টা = কীটনাশক পঁচা = পচন নিবারক ******************************************* *** কিভাবে নির্ণয় করবে কোনো ...

লা-শাতেলীয়া নীতির সহজ ব্যাখ্যা

ছবি
লা-শাতেলিয়ে নীতিঃ  কোন উভমুখী বিক্রিয়া সাম্যবস্থায় থাকাকালে বিক্রিয়ার কোন একটা নিয়ামক (যেমন: তাপমাত্রা, চাপ, ঘনমাত্রা) পরিবর্তন করলে সাম্যবস্থা এমন ভাবে পরিবর্তিত হয় যেন নিয়ামক পরিবর্তনের ফলাফল প্রশমিত হয়।  লা-শাতেলিয়ে নীতির মাধ্যমে কোন একটি বিক্রিয়া সাম্যবস্থায় অবস্থানকালে ঐ বিক্রিয়াতে তাপমাত্রা, চাপ ও ঘনমাত্রার প্রভাব ব্যাখ্যা করা যায়। লা-শাতেলিয়ে নীতি অনুযায়ী কোন উভমুখী বিক্রিয়ায় তাপের প্রভাবের ব্যাখ্যা নিম্নরূপঃ তাপের উপর ভিত্তি করে বিক্রিয়া দুই ধরনের  যথা- তাপোৎপাদী ও তাপহারী। কোন একটি তাপোৎপাদী বিক্রিয়া বা তাপহারী বিক্রিয়ায় লা-শাতেলীয়ে নীতি ব্যাখ্যা করতে হলে, আগে বিক্রিয়াটি তাপোৎপাদী বা তাপহারী চিহ্নিত করতে হবে। দেখতে হবে বিক্রিয়াটিতে  ΔH =+ve অথবা, যদি বিক্রিয়কের সঙ্গে তাপ যুক্ত অবস্থায় থাকে অথবা উৎপাদের সঙ্গে যদি তাপ বিয়োগ অবস্থায় থাকে তবে বিক্রিয়াটি তাপহারী। যেমনঃ N₂+O₂ ------>2NO ; ΔH= +180 kj N₂ + O₂ + 180 kj --------> 2NO N₂ + O₂ --------> 2NO - 180 kj এই তিন পদ্ধতিই তাপহারী বিক্রিয়া চিহ্নিত করে। আবার, কোন ...

ধাতব বৈশিষ্ট্যের ব্যতিক্রম পর্যায় সারনী

ছবি

🖊️🖊️ব্যতিক্রমী বাগধারা 🖋️🖋️

ছবি
🖋️🖋️ব্যতিক্রমধর্মী কিছু বাগধারা🖊️🖊️ খুব গুরুত্বপূর্ণ ৩৭৬টি বাগধারা 1) অকাল কুষ্মাণ্ড = (অপদার্থ,অকেজো) 2) অক্কা পাওয়া = (মারা যাওয়া) 3) অগস্ত্য যাত্রা = (চির দিনের জন্য প্রস্থান) 4) অগাধ জলের মাছ = (সুচতুর ব্যক্তি) 5) অর্ধচন্দ্র = (গলা ধাক্কা) 6) অন্ধের যষ্ঠি = (একমাত্র অবলম্বন) 7) অন্ধের নড়ি = (একমাত্র অবলম্বন) 8) অগ্নিশর্মা = (নিরতিশয় ক্রুদ্ধ) 9) অগ্নিপরীক্ষা =(কঠিন পরীক্ষা) 10) অগ্নিশর্মা = (ক্ষিপ্ত) 11) অগাধ জলের মাছ = (খুব চালাক) 12) অতি চালাকের গলায় দড়ি =(বেশি চাতুর্যর পরিণাম) 13) অতি লোভে তাঁতি নষ্ট = (লোভে ক্ষতি) 14) অদৃষ্টের পরিহাস = (বিধির বিড়ম্বনা) 15) অর্ধচন্দ্র দেওয়া = (গলা ধাক্কা দিয়ে দেয়া) 16) অষ্টরম্ভা = (ফাঁকি) 17) অথৈ জলে পড়া = (খুব বিপদে পড়া) 18) অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা) 19) অমৃতে অরুচি = (দামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণা) 20) অন্ধকারে ঢিল মারা =(আন্দাজে কাজ করা) 21) অকূল পাথার = (ভীষণ বিপদ) 22) অনুরোধে ঢেঁকি গেলা =(অনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া) 23) অদৃষ্টের পরিহাস = (ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা) 24) অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী = (সামা...